উত্তর সিটির উপ-নির্বাচন শিগগিরই পুনঃতফসিল করা হবে: সিইসি

0
37
নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিইসি। ছবি: ফাইল ছবি

ঢাকা প্রতিনিধি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ‌‘কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্বাচনের পুনঃতফসিল হবে। শিগগিরই এটি করা হবে।’

বুধবার (১৬ই জানুয়ারি) নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

আইনজীবী আদালতে না আসায় বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন ও সম্প্রসারিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচন নিয়ে রুল খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট। এর ফলে এ নির্বাচনের ওপর হাই কোর্টের স্থগিতাদেশ উঠে যাচ্ছে এবং ভোট আয়োজনে আইনগত কোনো বাধা থাকছে না। আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন রেখে তফসিল দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

ওই তফসিলের বৈধতা চ্যালঞ্জ করে এবং তফসিলের কার্যকরিতার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। তাদের আবেদনের ওপর শুনানি করে গতবছর ১৭ জানুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাই কোর্ট বেঞ্চ নির্বাচন ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দেয়।

এদিকে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিয়ে টিআইবির মন্তব্য অসৌজন্যমূলক। এ ধরনের মন্তব্য করা তাদের ঠিক হয়নি। তবে ইসি টিআইবির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে না।

টিআইবির প্রতিবেদেনর বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি। ঠিক রিপোর্ট না।’

টিআইবির প্রতিবেদন ঠিক নয় কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে নূরুল হুদা বলেন, ‘টিআইবি যেসব অভিযোগের কথা বলেছে, নির্বাচন নিয়ে সে ধরনের কোনো অভিযোগের কথা কোনো গণমাধ্যমে আসেনি। কেউ এ ধরনের কোনো অভিযোগ করেননি।’

আরও পড়ুন: টিআইবির গবেষণা ৫০টির মধ্যে আগের রাতে ৩৩টিতে সিল, বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি

ইসি শুধু গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে ইসির কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচনী তদন্ত কমিটিসহ সবার কাছ থেকে ইসি তথ্য নিয়েছে। এ ধরেনর অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।’

টিআইবি বলেছে-নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ছিল লজ্জাজনক। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি বলেন, এসব অসৌজন্যমূলক মন্তব্য। এ ধরনের মন্তব্য করা ঠিক হয়নি।

LEAVE A REPLY