বাংলাদেশকে ১ লাখ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনসহ চিকিৎসাসামগ্রী দিল ভারত

188

দৈনিক আলাপ ওয়েবডেস্কঃ করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর দ্বিতীয় চালান বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত।

রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ ১ লাখ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট এবং ৫০ হাজার জীবাণুমুক্ত সার্জিক্যাল ল্যাটেক্স গ্লাভস স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে হস্তান্তর করেছেন। ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এ তথ্য জানায়।

বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরবরাহ, প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভারত থেকে অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সঙ্কটের সময়ে প্রতিবেশী বন্ধুর সহায়তাকে আমরা স্বাগত জানাই। হাইকমিশনার কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশ সরকারকে ভারতের অব্যাহত সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সার্ক কোভিড-১৯ জরুরি তহবিলের আওতায় ও কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাসামগ্রীগুলি বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোর ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বিমান বাংলাদেশের সহায়তায় ওষুধগুলো ভারত থেকে আনা হয়। এই সময়োপযোগী সাহায্যের জন্য হাইকমিশন বিমান সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

ভারতের হাইকমিশন জানিয়েছে, সার্ক কোভিড-১৯ জরুরি তহবিলের আওতায় এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এসব চিকিত্সাসামগ্রী বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোর ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। বিমান বাংলাদেশের সহায়তায় ওষুধগুলো ভারত থেকে আনা হয়।

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা অনুযায়ী দেশটির ১০ মিলিয়ন ডলার প্রাথমিক সহায়তা নিয়ে সার্ক কোভিড-১৯ জরুরি তহবিল গঠিত হয়। এ তহবিলের অধীনে ৩০ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক এবং ১৫ হাজার হেড-কভারসহ জরুরি চিকিৎসা সহায়তার প্রথম চালান ২৫ মার্চ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এছাড়াও ভারতের স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞরা কোভিড-১৯ পরিচালনা কৌশল, দক্ষতা বৃদ্ধি, সেরা অনুশীলনের বিনিময় ও এ সম্পর্কিত দিকগুলি নিয়ে সার্ক দেশগুলোর স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের জন্য স্বল্পদৈর্ঘ্য ওয়েবিনার আকারে ই-আইটিইসি প্রশিক্ষণ মডিউল ডিজাইন করেছেন।

Content Protection by DMCA.com

LEAVE A REPLY