কুষ্টিয়ায় ১৮ মামলার আসামিসহ আলাদা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

310

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া সদর ও দৌলতপুর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে আলাদা বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ বলছে, নিহত মদনসহ (৪৫) দুজনই জেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কবুরহাটের মাদরাসাপাড়া জিকে ক্যানেলের পাশে দুইদল মাদক ব্যবসায়ী গোলাগুলি করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে যায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি নিক্ষেপ করলে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগজিন, তিন রাউন্ড গুলি ও আটশ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত মাদক ব্যবসায়ীর পরিচয় জানা যায়নি।

অপরদিকে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, রাত তিনটার দিকে দৌলতপুর উপজেলার বাঁধের বাজার এলাকার মুসলিমনগর মাঠে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে অভিযানে যায়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের নাম মদন (৪৫)।

তিনি সীমান্তসংলগ্ন জামাল গ্রামের রিফাজ উদ্দিনে ছেলে এবং সীমান্তবর্তী এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় দেড় ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, নয়শ’ পিস ইয়াবা ও ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।

এই ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানায় পুলিশ।

Content Protection by DMCA.com

LEAVE A REPLY