বিধ্বস্ত ইন্দোনেশীয় বিমানে ১৮৮ জন আরোহী ছিল

336
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হওয়া লায়ন এয়ারের ফ্লাইটটিতে ১৮৮ জন আরোহী ছিলেন। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আরোহীরা কেউ বেঁচে আছেন কিনা সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লায়ন এয়ারের ওই জেটি৬১০ ফ্লাইটটি সুমাত্রার বাংকা বেলিতুং দ্বীপের পাংকাল পিনাং যাচ্ছিল। খবর বিবিসির।

খবরে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পর এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওইসময় বিমানটি সাগরের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল।

লায়ন এয়ার যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেটি একটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের সম্পূর্ণ নতুন ধরনের একটি বিমান।

বিমানটি স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০মিনিটে জাকার্তা থেকে উড্ডয়ন করে। এক ঘণ্টা পর পাংকাল পিনাংয়ের দিপাতি আমির বিমানবন্দরে বিমানটির অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ জানায়, উড্ডয়নের মাত্র ১৩ মিনিট পর থেকে তারা আর বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছেন না।

পাংকাল পিনাংয়ের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিসের প্রধান দানাং প্রিয়ানদোকো স্থানীয় গণমাধ্যম কম্পাসকে জানান, বিমানটির পাইলট জাকার্তার সোয়েকারনো-হাত্তা বিমানবন্দরে ফেরার অনুমতি চেয়েছিল।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানটি ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক, একজন কোলের শিশু ও দুজন শিশু এবং দুজন পাইলট ও পাঁচজন ক্রু ছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ সংস্থার প্রধান সুতোপো পুরও নুগরোহো টুইটারে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। ওই ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেন, বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সাগরে ভাসছিল।

ওই ছবিগুলো ছাড়াও তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও তেল ভাসছে।

ইন্দোনেশিয়ার অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার মুখপাত্র ইউসুফ লতিফ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, বিমানটি ৩০ থেকে ৪০ মিটার পানির গভীরে তলিয়ে গেছে। আমরা এখনও বিমানের ধ্বংসাবশেষ খোঁজার চেষ্টা করছি।

এর আগে লায়ন এয়ার গ্রুপের প্রধান নির্বাহী এডওয়ার্ড সিরেইত রয়টার্সকে জানান, এই মুহূর্তে আমরা কোনও মন্তব্য করতে পারবো না। আমরা সব তথ্য ও ডাটা সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।

Content Protection by DMCA.com

LEAVE A REPLY