করোনা আপডেট: লাখ পেরলো রোগীর সংখ্যা, নতুন মৃত্যু ৩৮

267
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক আলাপ ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা ভাইরাসে দেশে নুতন করে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৮০৩ জন। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ দুই হাজার ২৯২ জনে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৭ হাজার ৩৪৯টি। আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ২৫৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫০৩টি। ২৪ ঘণ্টায় এই সংগৃহীত নমুনা থেকে শনাক্ত রোগী পেয়েছি ৩৮০৩ জন। এ পর্যন্ত শনাক্ত ১ লাখ ২২৯২ জন। নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। এ পর্যন্ত মৃত্যু দাঁড়ালো ১ হাজার ৩৪৩ জন। এসময় সুস্থ হয়েছেন আরও ১৯৭৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪০ হাজার ১৬৪ জন।

মতৃ ৩৮ জনের মধ্যে পুরুষ ৩১ জন এবং নারী ৭ জন। এদের মধ্যে ১০ বছরের মধ্যে ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছর ২ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর ৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর ৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর ৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর ১৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছর ৫ জন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন মারা গেছে।

‘তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১ জন, খুলনা বিভাগে ২ জন, বরিশাল বিভাগে ১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন এবং রংপুর বিভাগে ১ জন মৃত্যুবরণ করেছে। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ২৪ জন এবং বাসায় ১৮ জন মারা গেছে’ বলেও জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।

বরাবরের মতোই বুলেটিনে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

প্রসঙ্গত, চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত চার মাসে বিশ্বের ২১৫টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।

করোনা ভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট।

উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

Content Protection by DMCA.com

LEAVE A REPLY