সংবিধান লঙ্ঘনকারীদের বিচার হবে: ড. কামাল

269
 চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:  গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সভা সমাবেশ করা বাংলাদেশের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু একের পর এক এই অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। এটা অগ্রহণযোগ্য ও অসাংবিধানিক। লালদিঘীতে কেন সমাবেশ করতে দেয়নি এর কারণ খুঁজে বের করা হবে। ঢাকায় গিয়ে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে মামলা করব।
শনিবার চট্টগ্রামে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. কামাল বলেন, তারা মনে করে তারা দেশের মালিক। কিন্তু আসল মালিক এই দেশের জনগণ। আজ হোক বা কাল হোক, বেঁচে থাকলে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে মামলা করে তাদেরকে শাস্তি দেব।
তিনি আরো বলেন, ২০১৪ থেকে এ পর্যন্ত সংবিধান লঙ্ঘনের যত ঘটনা ঘটেছে তার সবগুলোর জবাবদিহিতা জনগণ আদায় করে ছাড়বে। জনগণ যখনই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে তখনই অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলেছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে ড. কামাল হোসেন বলেন, খালেদার মুক্তি অবশ্যই দিতে। তাকে বন্দী করে রাখার প্রতি ঘণ্টার হিসাব নেওয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাত দফায় জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে। এই প্রত্যাশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করলে তার কী শাস্তি হবে তা আপনারা চিন্তাও করতে পারবে না।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে নূর আহম্মদ সড়কে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিশেষ অতিথি ছিলেন জাসদ সভাপতি আ.স.ম আবদুর রব। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মীর্জা আব্বাস, ড. মঈন খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, গণফোরাম নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টু, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ, নাগরিক ঐক্য আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, প্রমুখ।
নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশস্থল ও আশেপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সমাবেশের জন্য সড়কের একপাশ যান চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়ায় জনসাধারণকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়।
Content Protection by DMCA.com

LEAVE A REPLY